1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. developer1699@outlook.com : developer16 :
  3. syedpreeo@gmail.com : Sama Kantha :
  4. techsupport5986@gmail.com : techsupport59 :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
প্রতিবন্ধী নাহিদের স্বপ্ন পুরণ করলেন ভূঞাপুরের ইউএনও ভূঞাপুরে মজলুমের কণ্ঠের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভূঞাপুরে ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে কালিহাতীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভূঞাপুর ঈদকে ঘিরে ইউএনও মাহবুব হাসানের কঠোর সতর্কবার্তা ভূঞাপুরে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় দেওয়ানবাড়ী মাদ্রাসার সাফল্যের ঝলক ভূঞাপুরে এসএসসি ’৯৫ ব্যাচের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল গোপালপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অটল শরিয়ত উল্লাহর পিতা আর নেই ঘাটাইলে গণহত্যা দিবস ও  স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভূঞাপুরে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান আথাইল শিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠি

যমুনার ঢেউয়ের সাথে স্বপ্ন বোনে ভূঞাপুরের নৌকার কারিগরর

সমকণ্ঠ ডেস্ক:
  • প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১০৮ জন সংবাদটি পড়েছেন
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বাড়তে থাকায় আবারও জেগে উঠেছে নৌকা শিল্প। বর্ষার শুরুতেই চরাঞ্চলজুড়ে নৌকার কদর বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ফলে গোবিন্দাসী, গাবসারা, নিকরাইল ও অর্জুনা ইউনিয়নের কারিগররা দিন-রাত এক করে ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা তৈরিতে।
নদী-নির্ভর এসব অঞ্চলে এখন নৌকাই একমাত্র ভরসা। চলাচল, মাছ ধরা, কৃষিপণ্য পরিবহন সবকিছুর জন্য প্রয়োজন নৌকা। সেই চাহিদা মেটাতে দম ফেলার ফুরসত নেই কারিগরদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেউ কাঠ কাটছেন করাত দিয়ে, কেউ পেরেক ঠুকছেন হাতুড়ি হাতে। ১৪ হাতের একটি ডিঙ্গি নৌকা বানাতে খরচ পড়ে ৭,৫০০ থেকে ৮,০০০ টাকা। বিক্রি হয় ৯,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকায়। ছোট নৌকার চাহিদাই বেশি বলে জানান কারিগর আজমত আলী।
গোবিন্দাসীর কারিগর মো. আজহার বলেন, “বছরের অন্য সময় ঘর-বাড়ি মেরামতের কাজ করি। কিন্তু বর্ষায় নৌকা বানানোই আয় রোজগারের বড় মাধ্যম। তিনজন মিস্ত্রি একদিনে একটি ছোট নৌকা বানায়। তবে কাঠ ও মজুরির দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভ কমে গেছে।”
গোবিন্দাসী হাটে নৌকা কিনতে আসা ওসমান গনি জানান, “নিচু এলাকা প্লাবিত হলে নৌকাই আমাদের একমাত্র ভরসা। মাছ ধরা, পারাপার সব কিছুতেই এই নৌকাই দরকার হয়।”
সপ্তাহের রোববার ও বৃহস্পতিবার গোবিন্দাসীর হাটে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় নৌকা। প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৭টি করে নৌকা বিক্রি হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় বিক্রেতারা।
স্থানিয় সাংবাদিক কোরবান আলী তালুকদার বলেন, “বর্ষায় চরাঞ্চালের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে চলে যায়। ফলে নৌকা ছাড়া চলাফেরা একেবারেই অসম্ভব। তাই এখানকার মানুষ বর্ষা এলেই নৌকা বানাতে বা কিনতে বাধ্য হন।”
এই মৌসুমি শিল্প যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে, তেমনি চরাঞ্চলের জীবনধারাতেও দিচ্ছে ভরসা। বর্ষা এলেই তাই আবার জেগে ওঠে যমুনার তীরের নৌকার পল্লীগুলো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025
Themes By ShimantoIT.com